টিউটোরিয়াল দেখে কিভাবে কাজ শেখা যায়?

টিউটোরিয়াল দেখে কিভাবে কাজ শেখা যায়?

টিউটোরিয়াল দেখে কিভাবে দক্ষ হওয়া যায়? আদৌ কি টিউটোরিয়াল দেখে কাজ শেখা তা কি সম্ভব?

 

ছোটবেলা থেকেই আমরা দেখে এসেছি আমাদের একজন টিচার বা ট্রেইনার থাকবে যিনি আমাদের শেখাবেন । এখানে আসলে টিচার আর ট্রেইনার এর মধ্যে বেসিক পার্থক্য  আছে ।

টিচার হচ্ছে শিক্ষা দিয়ে থাকেন আমাদের জীবন ধারনের জন্য যা যা লাগে , আর ট্রেইনার হচ্ছে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন যেটা বাস্তব প্রেকটিক্যাল কাজ গুলো শেখান যা থেকে আমরা আমাদের বাস্তব জীবনটাকে কিভাবে সুন্দর করতে পারব ,কিভাবে আমাদের ক্যারিয়ার প্রতি এগুয়ে একটা পর্যায়ে পৌছাতে পারব সেই জিনিসটা নিশ্চিত করেন একজন ট্রেইনার ।

ট্রেইনার এর কাছ থেকে আমরা ফেইস টু ফেইস শিখে থাকি অথবা ভিডিও দেখেও কিন্তু শিখে থাকি ।

এখন এই জায়গাটার মধ্যে আমাদের একটা কনফিউশন থাকে যে আমরা আসলে কিভাবে শিখতে পারব টিউটোরিয়াল দেখে

তাই আমরা আজ এই বিষয়ে জানব যে কোন কোন বিষয় মাথায় রাখতে হবে যদি আমরা টিউটোরিয়াল দেখে শিখতে চাই

১।ইচ্ছাঃ

সবার আগে আমাদের যেই জিনিসটা লাগবে তা হল আমাদের ইচ্ছা । খুব তীব্র ইচ্ছা না থাকলে আসলে

টিউটোরিয়াল দেখে শেখা সম্ভব না , এটা হচ্ছে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ।

আপনার শেখার ইচ্ছাটা যদি এই রকম হয় যে আমার শিখলেও চলে,না শিখলেও হয় , বা শিখলে কি ভালো হয় , এই রকম কনফিউশন নিয়ে যদি চলেন / শিখেন তবে তো শিখতে পারার প্রশ্নই আসে না আবার ফেস টু ফেস ট্রেইনার যদি সারাদিন আপনার পিছনে  খাটেও আসলে আপনাকে দিয়ে হয়ত একটা বেসিক কিছু হয়ত করানো যাবে  অথবা এই কাজ তা শিখেছি বা এই কাজ টা পারি এই টুকু বলাটা হয়ত বলতে পারবেন , কিন্তু এই জায়গায় দক্ষ হয়ে একটা পর্যায়ে পৌঁছে যাব আমি সেই জিনিসটা আসলে সম্ভব হবে না যদি না আপনার ভিতরে তীব্র ইচ্ছা না থাকে । আর যদি তীব্র ইচ্ছা থাকে সেক্ষেত্রে আপনাকে ফেস টু ফেস ট্রেইনার সেখানো সম্ভবই আর পাশাপাশি আপনার টিউটোরিয়াল দেখেও শেখা সম্ভব আর বই পড়েও শেখা সম্ভব ।

আমরা যখন থেকে কাজ করি প্রায় ১০-১২ বছর আগের থেকে তখনকার সময়ে আসলে টিউটোরিয়াল ছিলও না আর বই ও এভেলেবল পাওয়া যেত না আর বই বাংলা হওয়ার তো প্রশ্নই আসে না ।

তখন আসলে দক্ষতা একটু কম ছিল ইংরেজি একটু কম বুজতাম  তাও কষ্ট করে করে , যেই শব্দটা বুজতাম না সেটা ডিকশনারিতে খুজতাম , খুঁজে অর্থ বের করে ওই জিনিসটা বুজতাম। তো সেই সময়ে কষ্ট করে শেখাটা পসিবল হলে এখন জিনিসগুলা অনেক সহজলভ্য হয়ে গেছে । এখন যেই জিনিসটা হয় প্রতিটা বিষয়ের উপর অনেক বাংলা ভিডিও পাওয়া যাচ্ছে ফ্রী তে ইউটিউব এ  অনেক অনেক আইটি প্রতিষ্ঠান ব্যাক্তি উদ্যোগে বা নিজ উদ্যোগে টিউটোরিয়াল তৈরি করে এখানে আপনার একটা সুযোগ আছে  সেটা হচ্ছে নিজে বাছাই করার , প্রথমত জিনিসটা ফ্রি আপনি যদি কোচিং / ট্রেইনিং সেন্টারে যেয়ে শিখতে যান সেক্ষেত্রে আপনার ১০-১৫ হাজার টাকা এর পিছনে  বিনিয়োগ করতে হবে কোর্স ফি দিতে হবে , এরপরেও ভাল হবে কি খারাপ হবে ভর্তি হলে যাওয়া আসার সময়, বা পরিবেশ ভাল লাগলো না আপনার বা আপনি ১৫ দিন ক্লাস করার পর কোন সমস্যা হল তাতে কিন্তু আপনার চলে আসার কিন্তু সুযোগ নেই , কিন্তু এই ট্রেইনিংটা যখন আপনি অনলাইনে করবেন আপনার এই চ্যানেল ভাল লাগলো না অন্য চ্যানেল এ চাইলেই আপনি যেতে পারবেন সময়ের কোন ধরাবাধা থাকবে না আপনি চাইলে রাতের ১১ টা বাজেও সময় করে শিখতে পারবেন পরিবেশ অথবা যাতায়াত সমস্যাও থাকবে না ।

আপনার কোন ভিডিও ভাল লাগলো না আপনি চাইলেই অন্য একটা টপিক দেখতে পারবেন বা জাজ করতে পারবেন কোনটা ভাল এই সুযোগ গুলো আছে কয়েকটা পর্ব টেনে টেনে দেখলেই আপনি বুজতে পারবেন কোনটা কি ? বুজানোর ইস্টাইল কেমন ? আপনার পছন্দ হয় কিনা ? যখন আপনার মনে হবে আমি শিখতে পারব তখন আপনি ওনার ভিডিও গুলো দেখবেন এই জিনিসটা আমাদের অনেক সুবিধা । আর আমি মনে করি ভিডিও দেখে শিখা সম্ভব

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে নিন

Leave a Reply