ওয়ার্ডপ্রেস বেসিক কোর্স (পর্ব-৫) WordPress Basic Bangla Course (Part-5) WordPress Themes

ওয়ার্ডপ্রেস থিম:
থিম হচ্ছে একটি ওয়েব সাইটের মুল ডিজাইন স্ট্রাকচার। প্রতিটা ওয়েবসাইটের একটি নিজেস্ব স্ট্রাকচার বা ডিজাইন থাকে সেটাই হোলো ওয়ার্ডপ্রেস থিম। ড্যাসবোর্ড এর অ্যাপিয়ারেন্স অপশনটিতে প্রবেশ করলেই থিম অপশনটি পাওয়া যাবে। যেখানে ৩টা থিম ডিফল্ট আকারে ইন্সটল করে দেয়া থাকে। এটা সব ওয়ার্ডপ্রেসেই দেয়া থাকে।

থিমের প্রকারভেদঃ
থিম ৫প্রকার হয় যেমনঃ
১/ফ্রি থিম,
২/প্রিমিয়াম থিম,
৩/ডেমো বা লাইট থিম,
৪/কাস্টম থিম,
৫/নাল্ড বা ক্র্যাক থিম।

ফ্রি থিমঃ
ফ্রি থিম মানে হোলো সম্পূর্ণ ফ্রি। এই থিমগুলো ওয়ার্ডপ্রেসের ডিরেক্টরিতে থাকে। এই থিম গুলোর কোন কপি রাইট নেই বা কোন সমস্যা নেই। এই থিমের সুবিধা হচ্ছে এর জন্য আপনাকে কোন টাকা পে করতে হবে না এবং ফ্রিতে আপডেটও পেয়ে যাবেন। অর্থাৎ আজীবন এই থিম ফ্রিতে ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু এই থিমের অসুবিধা হোলো, খুব বেশি ফিচার থাকে না এবং সাপোর্টও থাকে না। ওয়ার্ডপ্রেসের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গেলে ফ্রি থিমগুলি পাওয়া যাবে।

প্রিমিয়াম থিমঃ
প্রিমিয়াম থিম হোলো, যে থিম আপনাকে টাকা দিয়ে কিনতে হবে। এই থিমের সুবিধা হচ্ছে অনেক অনেক ফিচার থাকে, নিয়মিত আপডেট পাওয়া যায় এবং একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সাপোর্টও পাওয়া যায়। কিন্তু এর অসুবিধা গুলো হোল যে এই থিম আপনাকে কিনে নিতে হয়। সর্বনিম্ন ১০ ডলার থেকে ৩০০ ডলার পর্যন্ত এর মুল্য তাছাড়া কমন থিম গুলো ৫০-৬০ ডলার এর মধ্যেই পাওয়া যায়। এটি কনার পর মাত্র একটা সাইটেই ব্যবহার করা যায় যদি এর জন্য সিঙ্গেল লাইসেন্স নেওয়া হয়। তবে এর জন্য মাল্টিলাইসেন্স নিয়ে অনেকগুলো সাইটেও ব্যবহার করা যায় কিন্তু সেটার জন্য মুল্য অনেক বেশি নেয়া হয়। গুগলে এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে প্রিমিয়াম থিম পাওয়া যায় এবং যেখান থেকে ক্রয়ও করা যায়।

ডেমো বা লাইট থিমঃ
যেহেতু প্রিমিয়াম থিম টাকা দিয়ে কিনতে হয় সেহেতু এই থিমের উপর মানুষের আগ্রহটা কম থাকে। প্রিমিয়াম থিমের উপর আগ্রহ বাড়াতে প্রিমিয়াম থিমেরই কিছু ডেমো ভার্সন বাজারে ছেড়ে দেয়া হয় যাকে ডেমো বা লাইট থিম বলা হয়। প্রথমে মানুষ তার ওয়েবসাইটে ডেমো হিসেবে ঐ থিম ব্যবহার করে যেখানে অল্প অল্প ফিচার দেয়া থাকে আর অন্যান্য ফিচারগুলো দেখানো থাকে কিন্তু লক করা থাকে। এরপর যদি তার মনে হয় যে, এই থিম টা তার ভালো লাগছে বা তার ওয়েবসাইট এর জন্য ভালো হবে তখন সে ঐ প্রিমিয়াম থিমটা ক্রয় করে এবং তার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করে। এই ডেমো বা লাইট থিম আজীবন ব্যবহার করা যাবে।

কাস্টম থিমঃ
কাস্টম থিম হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেসে তৈরি করা সম্পূর্ণ নিজের থিম ডেভেলপমেন্ট। অর্থাৎ কাস্টম থিমটা হোলো নিজের থিমটাকে নিজেই ডিজাইন করে তাকে ডায়নামিক করা। এই থিমের সুবিধা হলো এটা স্বাধীনভাবে ব্যবহার করা যায় এবং এর জন্য কারো কাছে দায়বধ্য থাকতে হয় না। এক্ষেত্রে বলা যায় এই থিমের উপর থিম হয় না এবং এটা ১০০% ইউনিক।

নাল্ড বা ক্র্যাক থিমঃ
প্রিমিয়াম থিমগুলো যেহেতু ফ্রি ব্যবহার করা যায় না তাই অনেক হ্যাকাররা এর ডেমো থিমগুলোকে ভেঙ্গে সেগুলোকে ফ্রি বলে বাজারে ছেড়ে দেয়। এই থিমগুলোকেই নাল্ড বা ক্র্যাক থিম বলে। অনেকে এটাকে GPL লাইসেন্সও বলে। এর একটা সুবিধা হলো এই থিমটি ফ্রিতে পাওয়া যায় কিন্তু এর অসুবিধা হলো এটা একটা ইলিগ্যাল থিম। এই থিমের সিকিউরিটি দুর্বল হয়। এছারাও এই থিমের র‍্যাঙ্কিং ডাউন থাকে। সুতরাং শুধুমাত্র অনুশীলনের জন্যই এই থিম ব্যবহার করা উচিৎ অন্য ক্ষেত্রে নয়।

সোর্স ফাইল লিংক (Source File Link)

WordPress Theme:
The theme is the basic design structure of a website. Each website has its own structure or design that is the WordPress theme. The theme option can be found by entering the dashboard’s appearance option. Where 3 themes are installed by default. It is given in all WordPress.

Types of themes:
There are 5 types of themes such as:
1 / free theme,
2 / Premium theme,
3 / demo or light theme,
4 / custom theme,
5 / Nulled or crack theme.

Free theme:
Free theme means completely free. These themes are in the WordPress directory. These themes have no copyrights or problems. The advantage of this theme is that you don’t have to pay for it and you will also get free updates. This means that this theme can be used for free for life. But the disadvantage of this theme is that it does not have many features and support. Free themes can be found by visiting the official website of WordPress.

Premium theme:
The premium theme is the theme that you have to buy with money. The advantage of this theme is that it has a lot of features, regular updates are available and support is also available up to a certain time. But the downside is that you have to buy this theme. Prices range from a minimum of 10 to 300 and common themes are available for “50 to 60” dollar. It can only be used on one site after buying if a single license is taken for it. However, it can be used in many sites with multi-license, but the price is much higher. There are many websites on Google where premium themes are available and where purchases can be made.

Demo or light theme:
Since premium themes have to be bought with money, people are less interested in this theme. To increase interest in premium themes, some demo versions of premium themes are released which are called demo or light themes. At first people use the theme as a demo on their website where a few features are given and other features are shown but locked. Then if he thinks that he likes this theme or it will be good for his website then he buys that premium theme and uses it on his website. This demo or light theme can be used for life.

Custom theme:
Custom Themes is a completely own theme development created in WordPress. In other words, the custom theme is to design your own theme and make it dynamic. The advantage of this theme is that it can be used freely and no one is responsible for it. In this case it can be said that there is no theme on this theme and it is 100% unique.

Nulled or crack theme:
Since premium themes cannot be used for free, many hackers break the demo themes and market them as free. These themes are called Nald or crack themes. Many also call it GPL license. One of the advantages is that this theme is available for free but the disadvantage is that it is an illegal theme. The security of this theme is weak. Also the ranking of this theme is down. So this theme should be used only for practice and not in other cases.

Leave a Reply